
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নতুন আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা এতে অংশ নিচ্ছেন...

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর ছাপ ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন...

দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে...

বাংলাদেশি গবেষকরা একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এই প্রযুক্তি দেশের ডিজিটাল অগ্রগতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে...

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে এমন বার্তা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগ উপলক্ষ্যে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই মহান দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রমাণ এবং দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে গভীর প্রোথিত বন্ধুত্ব, যা আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

গতকালও আমাদের এলাকায় নারীদের উপর আক্রমণ করছে, নারীদের হয়রানি করছে। আমরা আপনাদের স্পষ্ট করে বলছি, নারীদের নিয়ে বাঁদরামি কইরেন না। বাঁদরামি করলে একটা একটা করে গাছে ঝুলিয়ে দিব বলেও ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন। এমনভাবে ঝুলিয়ে দিব, এক গাছে থেকে আরেক গাছেও লাফিয়ে যেতে পারবা না। রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) রংপুর-৪ আসনের অধীন এনসিপির নির্বাচনি পদযাত্রার পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনি পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষেরা দীর্ঘ সময় ধরে জুলুমের শিকার হয়েছি। শতশত গুম খুন জুলুমের মধ্যে দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ পেয়েছি। জুলুম থেকে মুক্ত হলেও দুর্নীতি, ঘুষ, রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হতে পারি নাই। সেই সংস্কার করতে বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট করেছি। দালাল ও নেতার উপর নির্ভরতা কমিয়ে জনগণের সেবাগুলো জনগণের দোড়গড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। কাউনিয়া হারাগাছায় সকল আয়ব্যায়ের হিসাব বোর্ডের মাধ্যমে প্রদর্শন করব। গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদে প্রসব করার জন্য ভ্রাম্যমান মেডিকেল সেন্টার করব ইনশাআল্লাহ। তারা বলছে হেলথ কার্ড করবে। কিন্তু আমরা আমাদের মায়েদের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টার করে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, আমাদের অভাব তিস্তার গভীরতার অভাব, পানির অভাব। এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হলে এনসিপির শাপলা কলি মার্কা জিতলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আমরা উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। যদি এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হয় তাহলে আমরা উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করব ইনশাআল্লাহ। কেউ কেউ আমাদের বলে চেংড়া ছেলে কি করতে পারবে। কিন্তু আমাদের রংপুরের ছেলে আবু সাঈদ চেংড়ামো করে দুই হাত পেতে বুক পেতে না দিত! তাহলে আমরা আজও ফ্যাসিবাদ মুক্ত হতে পারতাম না। আমরা কথা দিচ্ছি, চেংড়ামো করতে করতেই রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের উন্নতি করব। চেংড়ামো করতে করতেই বাংলাদেশের সকল অনিয়ম দূর করব ইনশাআল্লাহ। গণভোটের জন্য আমাদের আর না এর কোন অপশন নেই। আমাদের অবশ্যই হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হারাগাছে নাকি শিল্পপতিরা বসবাস করে! বারোশত মানুষের জন্য একটা মাত্র শৌচাগার রয়েছে। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে বড়লোকের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলব ইনশাআল্লাহ। আমরা দেখতে পাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী সময়ের মতো মিডিয়া একটা পক্ষে ঝুঁকে পড়েছে। মিডিয়া মালিকদের বলছি, এখনি কোন একপক্ষে ঝুঁকে পইড়েন না। খেলা যে কোন লেভেলে চলছে। জনগণ কখন কাকে নিয়ে আসবে টেরও পাবেন না। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমরা এগারো দলীয় জোট আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে, শাপলা গণহত্যা, জুলাই গণহত্যা এবং হাদী ভাইয়ের হত্যাসহ সকল হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে ৫৪ বছরের ইতিহাস লুটপাটের ইতিহাস। আমরা এগারো দলীয় জোট সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আমরা ১১ দলীয় জোট আপনাদের কর্মকর্তা নয় বরং আমাদের নিয়োগ কর্তা হিসেবে গ্রহণ করব। আপনারা আঞ্চলিক বৈষম্যের স্বীকার। আমরা নির্বাচিত হলে আর কোন আঞ্চলিক বৈষম্য হতে দিব না ইনশাআল্লাহ। আকতার হোসেনের অনুরোধে দশ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আকতার ভাইয়ের অনুরোধে তিস্তার পাড় বাঁধাইয়ের জন্য দুইশত পঞ্চাশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। আমরা ফ্যাসিবাদের সময় থেকে দেখেছি আকতার হোসেনের রাজনৈতিক যাত্রা প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে। আমরা দেখি কোন কোন দল ফ্যাসিবাদী শক্তির সাথে বন্ধুত্ব করছে। যারা ফেলানীকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল, যাদের কারণে আবরার ফাহাদ ও শরীফ উসমান হাদী শহীদ হয়েছিল, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছে। আমরা আর কোন আধিপত্যবাদের সহযোগীদের নির্বাচিত করব না ইনশাআল্লাহ। আমটরা সাধারণ মানুষ, মা-বোনদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এগারো দলীয় জোট আপনাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আর কোন দিন বর্ষার সময় পানি দিয়ে বন্যা তৈরি করা, গরমের সময় পানিবিহীন রেখে পানি সংকট থাকবে না। আপনারা আমাদের নির্বাচিত করুন। আপনাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটের বিষয়ে বলতে চাই। আমরা যদি ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলতে দেখতে না চাই, হাসিনার মতো আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে না দেখতে চাই তাহলে হ্যাঁ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কাউনিয়াবাসী আমরা জানি আপনাদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুশাসনের কোন ভরসা নেই। কিন্তু আকতার হোসেন নির্বাচিত হলে আপনাদের অধিকার আদায় করা হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা চাঁদাবাজদের অর্থ নিয়ে নির্বাচন করতে আসি নাই, আমরা চাঁদাবাজদের জীবনকে জাহান্নাম করতে এসেছি। মাদক দিয়ে যাদের জীবিকা চলে তাদের কাছে থেকে দেশবাসী ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না। আর যারা শাড়ি আর লুঙ্গি নিয়ে আসবে তাদের আগামী ১২ তারিখ প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমরা লুঙ্গি, শাড়ি আর স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। কিন্তু আপনারা এই ১২ দিন আমাদের জন্য কষ্ট করলে আগামী পাঁচ বছর আপনাদের খাদেম হয়ে থাকব ইনশাআল্লাহ। আপনারা যদি একজনকে আজীবন ক্ষমতায় দেখতে না চান, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ আর দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। বিএনপি প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে কিন্তু নেতাকর্মীরা গোপনে না ভোটের পক্ষে প্রচারণা করছে। এই ওপেন গোপন অবস্থান বাদ দিতে হবে । বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ভারতের বিজেপি র বাংলাদেশের শাখা জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আপনারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ভারতীয় দালাল জাতীয় পার্টির কফিনে শেষ পেরেক মেরে জানাজা পড়িয়ে ফেলবেন। রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা শক্তভাবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ। জামায়াত, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এনসিপিসহ এগারো দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী আকতার হোসেনকে বিজয়ী করতে হবে। জুলুম-নির্যাতন, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শাপলা কলিতে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানের সঞ্চালনায় নির্বাচনি পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত, উত্তরান্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা ও সাকিব মাহদী প্রমুখ।
সংবাদ লোড হচ্ছে...

গতকালও আমাদের এলাকায় নারীদের উপর আক্রমণ করছে, নারীদের হয়রানি করছে। আমরা আপনাদের স্পষ্ট করে বলছি, নারীদের নিয়ে বাঁদরামি কইরেন না। বাঁদরামি করলে একটা একটা করে গাছে ঝুলিয়ে দিব বলেও ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন। এমনভাবে ঝুলিয়ে দিব, এক গাছে থেকে আরেক গাছেও লাফিয়ে যেতে পারবা না। রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) রংপুর-৪ আসনের অধীন এনসিপির নির্বাচনি পদযাত্রার পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনি পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষেরা দীর্ঘ সময় ধরে জুলুমের শিকার হয়েছি। শতশত গুম খুন জুলুমের মধ্যে দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ পেয়েছি। জুলুম থেকে মুক্ত হলেও দুর্নীতি, ঘুষ, রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হতে পারি নাই। সেই সংস্কার করতে বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট করেছি। দালাল ও নেতার উপর নির্ভরতা কমিয়ে জনগণের সেবাগুলো জনগণের দোড়গড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। কাউনিয়া হারাগাছায় সকল আয়ব্যায়ের হিসাব বোর্ডের মাধ্যমে প্রদর্শন করব। গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদে প্রসব করার জন্য ভ্রাম্যমান মেডিকেল সেন্টার করব ইনশাআল্লাহ। তারা বলছে হেলথ কার্ড করবে। কিন্তু আমরা আমাদের মায়েদের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টার করে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, আমাদের অভাব তিস্তার গভীরতার অভাব, পানির অভাব। এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হলে এনসিপির শাপলা কলি মার্কা জিতলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আমরা উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। যদি এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হয় তাহলে আমরা উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করব ইনশাআল্লাহ। কেউ কেউ আমাদের বলে চেংড়া ছেলে কি করতে পারবে। কিন্তু আমাদের রংপুরের ছেলে আবু সাঈদ চেংড়ামো করে দুই হাত পেতে বুক পেতে না দিত! তাহলে আমরা আজও ফ্যাসিবাদ মুক্ত হতে পারতাম না। আমরা কথা দিচ্ছি, চেংড়ামো করতে করতেই রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের উন্নতি করব। চেংড়ামো করতে করতেই বাংলাদেশের সকল অনিয়ম দূর করব ইনশাআল্লাহ। গণভোটের জন্য আমাদের আর না এর কোন অপশন নেই। আমাদের অবশ্যই হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে। তিনি আরও বলেন, হারাগাছে নাকি শিল্পপতিরা বসবাস করে! বারোশত মানুষের জন্য একটা মাত্র শৌচাগার রয়েছে। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে বড়লোকের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলব ইনশাআল্লাহ। আমরা দেখতে পাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী সময়ের মতো মিডিয়া একটা পক্ষে ঝুঁকে পড়েছে। মিডিয়া মালিকদের বলছি, এখনি কোন একপক্ষে ঝুঁকে পইড়েন না। খেলা যে কোন লেভেলে চলছে। জনগণ কখন কাকে নিয়ে আসবে টেরও পাবেন না। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমরা এগারো দলীয় জোট আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে, শাপলা গণহত্যা, জুলাই গণহত্যা এবং হাদী ভাইয়ের হত্যাসহ সকল হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে ৫৪ বছরের ইতিহাস লুটপাটের ইতিহাস। আমরা এগারো দলীয় জোট সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আমরা ১১ দলীয় জোট আপনাদের কর্মকর্তা নয় বরং আমাদের নিয়োগ কর্তা হিসেবে গ্রহণ করব। আপনারা আঞ্চলিক বৈষম্যের স্বীকার। আমরা নির্বাচিত হলে আর কোন আঞ্চলিক বৈষম্য হতে দিব না ইনশাআল্লাহ। আকতার হোসেনের অনুরোধে দশ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আকতার ভাইয়ের অনুরোধে তিস্তার পাড় বাঁধাইয়ের জন্য দুইশত পঞ্চাশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। আমরা ফ্যাসিবাদের সময় থেকে দেখেছি আকতার হোসেনের রাজনৈতিক যাত্রা প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে। আমরা দেখি কোন কোন দল ফ্যাসিবাদী শক্তির সাথে বন্ধুত্ব করছে। যারা ফেলানীকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল, যাদের কারণে আবরার ফাহাদ ও শরীফ উসমান হাদী শহীদ হয়েছিল, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছে। আমরা আর কোন আধিপত্যবাদের সহযোগীদের নির্বাচিত করব না ইনশাআল্লাহ। আমটরা সাধারণ মানুষ, মা-বোনদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এগারো দলীয় জোট আপনাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আর কোন দিন বর্ষার সময় পানি দিয়ে বন্যা তৈরি করা, গরমের সময় পানিবিহীন রেখে পানি সংকট থাকবে না। আপনারা আমাদের নির্বাচিত করুন। আপনাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটের বিষয়ে বলতে চাই। আমরা যদি ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলতে দেখতে না চাই, হাসিনার মতো আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে না দেখতে চাই তাহলে হ্যাঁ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কাউনিয়াবাসী আমরা জানি আপনাদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুশাসনের কোন ভরসা নেই। কিন্তু আকতার হোসেন নির্বাচিত হলে আপনাদের অধিকার আদায় করা হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা চাঁদাবাজদের অর্থ নিয়ে নির্বাচন করতে আসি নাই, আমরা চাঁদাবাজদের জীবনকে জাহান্নাম করতে এসেছি। মাদক দিয়ে যাদের জীবিকা চলে তাদের কাছে থেকে দেশবাসী ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না। আর যারা শাড়ি আর লুঙ্গি নিয়ে আসবে তাদের আগামী ১২ তারিখ প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমরা লুঙ্গি, শাড়ি আর স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। কিন্তু আপনারা এই ১২ দিন আমাদের জন্য কষ্ট করলে আগামী পাঁচ বছর আপনাদের খাদেম হয়ে থাকব ইনশাআল্লাহ। আপনারা যদি একজনকে আজীবন ক্ষমতায় দেখতে না চান, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ আর দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। বিএনপি প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে কিন্তু নেতাকর্মীরা গোপনে না ভোটের পক্ষে প্রচারণা করছে। এই ওপেন গোপন অবস্থান বাদ দিতে হবে । বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ভারতের বিজেপি র বাংলাদেশের শাখা জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আপনারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ভারতীয় দালাল জাতীয় পার্টির কফিনে শেষ পেরেক মেরে জানাজা পড়িয়ে ফেলবেন। রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা শক্তভাবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ। জামায়াত, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এনসিপিসহ এগারো দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী আকতার হোসেনকে বিজয়ী করতে হবে। জুলুম-নির্যাতন, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শাপলা কলিতে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানের সঞ্চালনায় নির্বাচনি পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত, উত্তরান্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা ও সাকিব মাহদী প্রমুখ।

সংস্কারের প্রশ্নে এতোদিন কিছু না বললেও দুই মাস পর এস একটি দলের প্রধান হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলছেন। নেতা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বললেও কর্মীরা না ভোট চাইছেন। এখন কর্মীরা যদি না ভোট চায় তাহলে তাদেরকে বলবেন গুপ্ত গুপ্ত। এইভাবে না ভোট চাওয়াও গুপ্ত কাজ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সাইফুল্লাহ হায়দারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই এলাকার মানুষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছিলাম। বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়নে বরাদ্দ দিয়েছি। আপনারা যদি তাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আপনাদের জন্য সে আরও বেশি করে কাজ করতে পারবে। আমরা দুই হাজার নয় সালের বিডিআর বিদ্রোহ থেকে শাপলা চত্বর হয়ে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের হত্যার বিচার করব ইনশাআল্লাহ। আমরা সরকার গঠন করলে হিসাব দাও নামে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের আয় ব্যায়ের হিসাব সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ। আমি উপদেষ্টা থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সরকারি একটা বাড়ি, একটা খাট ও মেট্রিক্স ফেরত দিয়েছি। ভারতের বড় ভাই সুলভ আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা তিন দিক দিয়ে একটা দেশ দ্বারা ঘেরাওয়ের মধ্যে আছি। তাদের কাছে প্রত্যাশা ছিল ভালো প্রতিবেশি হওয়ার কিন্তু তারা আমাদের ছোট প্রতিবেশি হিসেবে ট্রিট করতে চায়। ১১ দলীয় ঐক্য জোট সরকার গঠন করলে, আমরা যুবকদের সামরিক ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা করব। সামরিক বাহিনীর অধীনে সামরিক ট্রেনিং সদস্য দ্বিগুণ করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে বাংলাদেশের সংস্কারের জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু শহীদ জিয়া জীবনে একটি ভুল করেছিলেন, বাকশাল গঠনের পরও শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসে। হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ফল হিসেবে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়িছাড়াসহ বিভিন্ন নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে। দেশের মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একটি দল আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। আপনারা যদি নির্যাতিত হতে চান! দেশ ছেড়ে যেতে চান। তাহলে আমরা আর আপনাদের পাশে থাকব না। তারেক রহমানের কৃষক ঋণ মওকুফের বিষয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, একটি দল কৃষকদের ঋণ মওকুফ করার কথা বলছে। ২০০১ সালেও তারা কৃষকদের ঋণ মওকুফের কথা বলেছিল কিন্তু করে নাই। আবারও একই কথা বলছে কিন্তু ২৫ বছরেও মাফ করে নাই। এবার আবার বললে জিজ্ঞেস করবেন এইবার মাফ করবে কবে? টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের ১১ দলীয় ঐক্য জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার বলেন, আমি আমার নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন এক টাকার চাঁদাবাজি করলে আমি আপনাদের কাছে একটা ভোটও চাইব না। অথচ গত ১৭ মাসে একটা দলের নেতাকর্মীরা ঘাটাইলের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করেছে। আমাদের আগামীর আন্দোলন হবে চাঁদাবাজ, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমরা এই ঘাঁটাইলে উইড়া আইসা জুইড়া বসি নাই। পাহাড় কেটে কলকারখানা করা হচ্ছে। আমরা কলকারখানা করার বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু আমাদের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে এমন কলকারখানা স্থাপন করা হবে। আমরা সারাজীবন দুইটা পরিবারের কাছে বর্গা দিছি। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেন কৃষকের সন্তানও যেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে। পাহাড়ে সাদিকের নামে ২৫ শয্যা হাসপাতাল তৈরি করব ইনশাআল্লাহ। প্রতিটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দুর্নীতির বক্স স্থাপন করব। আপনারা অন্যায়ের স্বীকার হলে আপনারা সেই বিষয়ে তথ্য দিবেন। আমরা ব্যবস্থা নিব। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে বেতনের বাহিরে এক টাকাও নেব না ইনশাআল্লাহ। জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, যারা ভাবছেন ভোটকেন্দ্র দখল করে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বন্ধ করে দিবে। তাদের স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, এগারো দলীয় ঐক্য জোট সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। একটি দলের চেয়ারম্যান বার বার তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে চলে যাবেন। আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনাকেও দেখেছি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্র দখল করতে। আমরা তখন স্লোগান দিতাম তাহাজ্জুদের আউলিয়া দেশ করেছে দেউলিয়া। আপনাদের বিরুদ্ধেও একই স্লোগান দিতে বাধ্য করবেন না। এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত বলেন, ২০২৪ সালে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হাজার হাজার মানুষ মাঠে নেমেছিলাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেখা গেল একটি দল চাঁদাবাজি, দখলবাজি শুরু করে দিয়েছে। আমরা চব্বিশের ছাত্র-জনতার সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে এগারো দলী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোট গড়ে তুলেছি। ৯৯৯ একটি নাম্বারের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ থেকে চাঁদাবাজদের বিপক্ষে সেবা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র ধনীদের জন্য নয় সাধারণ মানুষের জন্যও নিশ্চিত করব। পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি মাশরুর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ হোসনে মোবারক বাবুল প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, নাগরিক অধিকার পার্টি এবং বিএনডিপি-সহ সাতটি সমমনা রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক মোর্চা 'জাতীয় মুসলিম জোট'। জোটভুক্ত অন্য দলগুলো হলো— গণমুক্তি জোট, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এবং মুসলিম সমাজ। সম্প্রতি জোটের পক্ষ থেকে ১০ দফা সম্বলিত একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় গুণগত পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হয়েছে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য জোটের ঘোষণাপত্রে ১৯৪৭-এর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। জোট মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং এটি ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিকতা ও গুণগত পরিবর্তনের একটি গণদাবি। ওসমান হাদী হত্যার বিচার ও জ্ঞান-রাষ্ট্র দর্শন বিপ্লবী পুরুষ শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জোটের পক্ষ থেকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল কুশীলবদের দ্রুত ও ন্যায্য বিচার দাবি করা হয়েছে। জোটের ষষ্ঠ দফায় বলা হয়েছে, শহীদ ওসমান হাদীর ‘জ্ঞান-রাষ্ট্র দর্শন’ হবে রাষ্ট্র সংস্কারের অন্যতম ভিত্তি। মূলনীতি ও অসাম্প্রদায়িক অবস্থান জাতীয় মুসলিম জোট স্পষ্ট করেছে যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে না। বরং জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায় ও নাগরিক মর্যাদাকে মূলনীতি মেনে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে কাজ করবে। জোটের ভাষায়, "আমরা বাঙালি, মুসলিম ও অন্যান্য জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ঐতিহাসিক সমন্বয় এবং সামাজিক ভারসাম্য রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ।" সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক সংস্কার জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জোট কোনো আপস করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি তুলে ধরে তারা জানায়, মনোনয়নপত্রের জামানত এবং তা জমা দেওয়ার সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করা প্রয়োজন যেন গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ আরও সহজ হয়। ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা জোটের ঘোষণাপত্রে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর শিক্ষা ও রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়াসকে ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসাথে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ সমাজ এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ এর ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসকে জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছে জোটটি। সবশেষে: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জ্ঞান ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে এই নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো উপদেষ্টা পদে থেকে বা সরকারের অন্য যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না৷ এমনকি ভোটের প্রচারেও অংশ নিতে পারবেন না। এই নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ ভোটে অংশ নিতে পারবেন না। তিনি বলেন, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। তফসিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তফসিল ঘোষণা জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে ইসি। আসন বিন্যাস, আইন অনুযাযী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদেন প্রজ্ঞাপন, বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি হবে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইন শৃঙ্খলার সেল গঠন এগুলোর ফরমেটগুলো রেডি রযেছে। তফসিল ঘোষণার পরপর সেগুলো ধারাবাহিকভাবে আমরা জারি করবো। ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী সরকারের পদে থেকে নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না। প্রচার করা না গেলে তো প্রার্থীও হতে পারবেন না। কাজেই সরকারের কোনো পদে থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না। এদিকে, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রাহমানেল মাছউদ বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পূর্বে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ইসির দায়িত্ব নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির দায়িত্ব আসবে তফসিল ঘোষণার পর। চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না। তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণায় ভাষণের সবকিছু চূড়ান্ত। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাত শেষে সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণা হবে। এতে রাজনৈতিক দলসহ সকলের সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামীকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে নির্বাচন কমিশন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘অবিস্মরণীয় একটি দিন ৬ ডিসেম্বর।’ তিনি বলেছেন, ‘১৯৯০ সালের এ দিনে রক্তাক্ত পিচ্ছিল পথে অবসান হয়েছিল স্বৈরশাসনের। এরশাদ ‘৮২’র ২৪ মার্চ পেশাগত বিশ্বস্ততা ও শপথ ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র হত্যা করে জারি করেছিল অসাংবিধানিক শাসন।’ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে তারেক রহমান তার ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে সাংবিধানিক রাজনীতি ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা, যার সূচনা করেছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একনায়ক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেন।’ তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তোলেন এক দুর্বার গণআন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৯০ এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিলো গণতন্ত্র।’ তিনি বলেন, ‘সেই অর্জিত গণতন্ত্রের চেতনায় আবারও ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট এক হিংস্র ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাস্ত করে। ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসানের পর আবারও গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ পুনরুজ্জীবন এবং রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের নিরলস সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’ শেখ হাসিনার দুঃশাসনে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুমসহ নানামাত্রিক নিপীড়ন নামিয়ে আনা হয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘অবিরাম নির্যাতনের কষাঘাতে অসুস্থ দেশনেত্রীর জীবন এখন চরম সংকটে। আল্লাহ’র কাছে তাঁর আশু সুস্থতা কামনা করছি। এছাড়াও দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে সীমাহীন অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছিল। সারাদেশকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল।’ তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এ দিনে আমি ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত রক্তস্নাত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ স্মরণীয় দিনে আমি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রের হেফাজতকারী দেশবাসীকে।’ সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র বিরোধী পরাজিত শক্তির যাতে আর পুণরুত্থান না ঘটে সেজন্য গণতান্ত্রিক শক্তিকে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানাই।’

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। সোমবার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে এমন বার্তা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগ উপলক্ষ্যে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই মহান দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রমাণ এবং দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে গভীর প্রোথিত বন্ধুত্ব, যা আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
বিস্তারিত পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর ছাপ ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন...
বিস্তারিত পড়ুন
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নতুন আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা এতে অংশ নিচ্ছেন...

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নতুন আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা এতে অংশ নিচ্ছেন...

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিতে গভীর ছাপ ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন...

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। টানা কয়েক সপ্তাহের নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের পর বাংলাদেশের সামনে কার্যত দুটি পথই খোলা ছিল ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অথবা পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ানো। শেষ পর্যন্ত ভারতে না যাওয়ার অবস্থানেই অনড় থাকল বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানান, ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আইসিসি বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধে সুবিচার করেনি। সরকারের পক্ষ থেকেই ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সেই অবস্থানে তারা দৃঢ়ভাবে অনড়। ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, আমরা সবাই স্বাভাবিকভাবেই চাইতাম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে। কিন্তু ভারতে খেলার ক্ষেত্রে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে, সেটির কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই আশঙ্কা কোনো অনুমান বা বায়বীয় বিশ্লেষণ থেকে তৈরি হয়নি, বরং বাস্তব ঘটনার ভিত্তিতেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত। তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করা হয়, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণেই বাংলাদেশের এই অবস্থান এবং সেই উদ্বেগ এখনো বহাল রয়েছে। এরপর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ এখনও চায় তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হোক। তিনি বলেন, আমরা বিকল্প ভেন্যুর দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাব। এদিকে, কট্টরপন্থীদের আন্দোলনের মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলের একটি দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে আইসিসি ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিল। পিএসএলের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম ও লোগো উন্মোচন এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, মুস্তাফিজ নিজে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াননি, তার কোনো ইনজুরি ছিল না এবং বিসিবিও তার এনওসি বাতিল করেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনার পরই আমরা আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং বিকল্প ভেন্যুতে খেলার দাবি জানাই। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আইসিসি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দাবির বিষয়ে কী অবস্থান নেয়।
বিস্তারিত
নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশের মেয়েরা। কলম্বোতে টসে হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে বাংলাদেশ। মারুফা-স্বর্ণাদের বোলিং তোপে ৩৮ দশমিক ৩ ওভারে মাত্র ১২৯ রানে গুঁটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩১ দশমিক ১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিগার সুলতানার দল। ব্যাট হাতে নৈপুণ্য দেখান রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক। তরুণ এই ওপেনারের দুর্দান্ত ফিফটিতে ১১৩ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ। টাইগ্রেসদের সেরা বোলার ছিলেন স্বর্ণা আক্তার, যিনি ৩ দশমিক ৩ ওভার বল করে ৩ মেডেনসহ মাত্র ৫ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন নাহিদা আক্তার ও মারুফা আক্তার। একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন নিশিতা আক্তার নিশি, ফাহিমা খাতুন ও রাবেয়া খান। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন রামিন শামীম। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা কিছুটা মন্থর ছিল বাংলাদেশের। ফারজানা হক পিংকি (২) এবং শারমিন আক্তার (১০) দ্রুত বিদায় নিলেও, এক প্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার রুবাইয়া হায়দার। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে তার ৬২ রানের জুটি গড়ে ওঠে। ৪৪ বলে ২৩ রান করে জ্যোতি আউট হন। তবে অন্য প্রান্তে রুবাইয়া তুলে নেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত সোবানা মোস্তারিকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ৭৭ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন রুবাইয়া। আর সোবানা মোস্তারি ১৯ বলে ৬ চারে দ্রুত ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই জয়ে ৮ দলের মধ্যে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলার মেয়েরা। এবারের আসরে সব দলই একে অপরের মুখোমুখি হবে। গ্রুপ পর্বের বাকি ৬টি ম্যাচ জ্যেতিরা খেলবে ভারতের মাটিতে। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের সেমি-ফাইনালের টিকিট পাবে সেরা চার দল।
বিস্তারিত
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে নতুন প্রতিভার আবির্ভাব ঘটেছে। তার প্রথম ছবি ইতিমধ্যে দর্শকদের মন জয় করেছে...

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক নিয়োগ করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে দল নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে...

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে একটি নতুন রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে। এক খেলোয়াড় একটি ম্যাচে পাঁচটি গোল করে ইতিহাস গড়েছেন...

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক নিয়োগ করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে দল নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে...

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি। ব্যক্তিগত জীবন এবং নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রায়ই তিনি আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন; তবে তা কাজের তুলনায় বেশি। পরীমণি নিজের ব্যক্তিগত জীবন বেশ উপভোগ করেন; আর সেসব মুহূর্ত ভক্তদের মাঝে ভাগ করে নিতে পছন্দ করেন নায়িকা। চলছে শীতের মৌসুম; অর্থাৎ পিঠা-পার্বণ তো চলবেই! আর সাধারণের মতো তিনিও পিঠা খেতে ঢাকা ছাড়লেন। শুক্রবার দুপুরেই ঢাকা ছাড়েন এই নায়িকা; পথিমধ্যে ছবি তুলে জানান দিলেন তার ভ্রমণের কথা। পরীমণি তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, নায়িকা ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি থেকে নেমেছেন। শুভ্র সাদা রঙের একটি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তুলছেন। কোনো ছবিতে তাকে হাসিখুশি মুখে হাত উঁচিয়ে ভি সাইন দিতে দেখাতে দেখা যায়, আবার কোনো ছবিতে তাকে আনন্দে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। • গান গেয়ে সমালোচনার মুখে পরীমণি ফিটনেস ধরে রাখার রহস্য জানালেন পরীমণি ছবিগুলোতে নায়িকার পরনে ছিল জিন্স, টি শার্ট ও জ্যাকেট। পেছনে সবুজ গাছপালা ও পরিষ্কার নীল আকাশ ছবিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবির ক্যাপশনে পরীমণি লিখেছেন, ‘ভালো থেকো আমার প্রিয় শহর! যাই, একটু পিঠা খেয়ে আসি!’ • পরীমণির এই ছবিটি নজর কেড়েছে ভক্তদের। মুহূর্তেই তা হাজার হাজার লাইক ও মন্তব্যে ভরে উঠেছে। নেটিজেনদের অনেকের অনুমান, নিজের গ্রামের বাড়ি বরিশালের দিকে সম্ভবত রওনা হয়েছেন নায়িকা; সেখানেই শীতকালীন পিঠা খেতে যাচ্ছেন তিনি।
বিস্তারিত পড়ুন
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি শিল্পা শেট্টি এবং রাজ কুন্দ্রা। জীবনের নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে তারা একে অপরের পাশে থেকেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজ কুন্দ্রা তাদের প্রেমকাহিনি নিয়ে এক বিশেষ তথ্য ফাঁস করেছেন। বিজ্ঞাপন তিনি জানান, শিল্পাকে বিয়ে করার জন্য তাকে লন্ডন ছেড়ে মুম্বাইয়ে চলে আসতে হয়েছিল। রাজ কুন্দ্রা জানান, শিল্পার একটাই শর্ত ছিল, তিনি কোনওভাবেই ভারত ছেড়ে অন্য দেশে থাকবেন না। রাজ কুন্দ্রা বলেন, “শিল্পা আমাকে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছিল, আমি কোনও বিদেশি বা এনআরআইকে বিয়ে করব না। আমাকে ভারতেই থাকতে হবে, আমি দেশ ছাড়তে পারব না।” বিজ্ঞাপন লন্ডনে জন্ম ও বেড়ে ওঠা রাজ ২০০৭ সালে দুবাই চলে যান। সেখানেই শিল্পার একজন ম্যানেজারের মাধ্যমে তাদের বন্ধুত্ব হয়। রাজ বলেন, “কথা বলতে বলতে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন থেকেই আমি ওকে বিয়ে করার চেষ্টা শুরু করি।” শিল্পা ভারতে থাকার ব্যাপারে এতটাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যে, রাজ কুন্দ্রা শিল্পাকে বোঝানোর জন্য ভারতে নিজের কোনো সম্পত্তি না থাকা সত্ত্বেও একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্টকে ফোন করে দ্রুত তাদের জন্য একটি ফ্ল্যাট কিনে নেন। এরপরই তিনি শিল্পাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিজ্ঞাপন রাজের এই সিদ্ধান্তে মুগ্ধ হয়ে শিল্পা তাঁকে বিয়ে করতে রাজি হন। রাজ বলেন, “আমার কাছে এটা কোনো বড় ব্যাপার ছিল না। আমি যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করতে পারতাম। শিল্পার ওপর আমার মন বসে গিয়েছিল, তাই আমাকে সব চেষ্টা করতে হয়েছিল। আমি ওকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে আমি তাকে কখনো ভারত ছাড়তে বাধ্য করব না। আমরা শুধু ছুটির জন্য বাইরে যাব। ও ভারতেরই মেয়ে, তাই আমরা ভারতেই থাকব।” সম্প্রতি এই দম্পতি বৃন্দাবনে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাজ কুন্দ্রা আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দ মহারাজের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কথা শুনছেন। মহারাজের দুটো কিডনিই অকেজো হয়ে গিয়েছে শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে রাজ তাকে নিজের কিডনি দেওয়ার প্রস্তাব দেন। যদিও মহারাজ সেই প্রস্তাব বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেন।

বাংলা গানের জগতে নতুন ধারার সংগীত শ্রোতাদের মুগ্ধ করছে। যুব প্রজন্মের শিল্পীরা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয় ঘটাচ্ছেন...

বাংলা গানের জগতে নতুন ধারার সংগীত শ্রোতাদের মুগ্ধ করছে। যুব প্রজন্মের শিল্পীরা ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয় ঘটাচ্ছেন...

বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সব ধরনের আপডেট জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকার প্রথম কার্যদিবসে এই ফেসবুক পেজটি উদ্বোধন করে। পেজটির নাম রাখা হয়েছে 'PMO Bangladesh- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়'। পেজটির ডিসপ্লে পিকচার হিসেবে রাখা হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ ও বিকেলে মন্ত্রিপরিষদের শপথের পর একই দিন রাতে গেজেট জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার ভেঙে দেওয়া হয়। পরে আজ সকাল ১০টার দিকে ‘Chief Advisor GOB' পেজ থেকে এক পোস্টে এখন থেকে পেজটির সকল কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিস্তারিত পড়ুন