ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম বলেন, 'অনেক সমালোচনা সত্ত্বেও আমরা গতকাল সংসদে গিয়েছি। কারণ জনগণ এগারো দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করেছে। আমরা সংসদে গিয়েছি সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য, উচ্চ কক্ষ বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।'
ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ দিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'দ্রুত এই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হবে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। গণহত্যা ও শপথ ভঙ্গের দায়ে চুপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে।'
জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহর বাড়িতে আওয়ামীলীগের অগ্নিসংযোগ ঘটনা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'গুপ্ত হ*ত্যা, অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সবসময় রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। সাইফুল্লাহর বাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ময়মনসিংহবাসীর প্রতি আহ্বান, আপনারা এ সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করুন।'
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, কুড়িগ্রাম দুই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ কেন্দ্রীয় ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ।
ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ এগারো দলীয় জোটের ময়মনসিংহ বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।শ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নতুন সরকার মাত্র কাজ শুরু করেছে, কিন্তু একটি শ্রেণীর রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, কোনো সরকারকে বিব্রত করে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। উন্নয়নের জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার রাজধানীর শায়লা হাফিজ মিলনায়তনে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, নতুন সরকার দেশের আন্দোলনের দাবির একটি অংশ হিসেবে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৩৬ হাজার সুবিধা চালু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও অনেক সুবিধা চালু করা হবে।
তিনি বলেন, সরকার একেবারেই নতুন। কিন্তু একটি শ্রেণীর মানুষ ও রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই এমনভাবে কথা বলছে যেন এটি ১৭ বছরের পুরোনো সরকার, অথচ কিছুই করছে না। তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই সরকার কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনের রেশ কাটাতেই অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, এখনই সবকিছু দেওয়া সম্ভব নয়। প্রতিটি সরকারই সময় নিয়ে কাজ করে। তবে বর্তমান সরকার বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ না পেয়েই কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বেই একটি বৈশ্বিক দুরবস্থা চলছে। এ কারণে কিছু সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু একটি শ্রেণীর রাজনৈতিক দল এসব বিষয়কে ব্যবহার করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, কোনো সরকারকে বিব্রত করে যদি কেউ ক্ষমতায় আসে, তাহলে তাকেও একদিন বিব্রত করা হবে। এতে দেশের উন্নয়ন হবে না।
মির্জা আব্বাস বলেন, উন্নয়ন বলতে শুধু রাস্তা–ঘাট বা সেতু নির্মাণকে বোঝায় না। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের অংশ।
তিনি চিকিৎসা খাতের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, তিনি নিজেও একজন রোগী হিসেবে চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তিনি বলেন, একসময় এই হাসপাতালের চিকিৎসার মান খুব ভালো ছিল। এখন কেমন আছে তিনি জানেন না, তবে হাসপাতালে এসে তার কাছে পরিবেশ ভালো মনে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় এখানে বিদেশি চিকিৎসকরাও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, হাসপাতালটি খুব সুন্দর জায়গায় অবস্থিত এবং বড় জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে। তার মতে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরে এত বড় জায়গা নিয়ে খুব কম হাসপাতাল রয়েছে।
তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, মানুষের সেবা করা একদিকে পেশা, অন্যদিকে খেদমতের কাজ। এই দুই বিষয় একসঙ্গে ধরে রেখে চিকিৎসার মান আরও উন্নত করতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে হার্টের অপারেশন, চোখের চিকিৎসা, দাঁতের চিকিৎসা ও ডায়াবেটিস চিকিৎসার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকেও রোগীরা বাংলাদেশে আসে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, উন্নত চিকিৎসা ও সেবার মাধ্যমে চিকিৎসকেরা দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবেন এবং একই সঙ্গে সরকার ও দেশের মানুষকে সহযোগিতা করবেন।
আজ ০৮ মার্চ রবিবার বরিশালের হালিমা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির বরিশাল বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মোঃ নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আবারও আওয়ামীলীগের মতো হয়রানি মূলক মামলা দেওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। আমরা বলতে চাই, মামলা দিয়ে পাটওয়ারীদের মুখ বন্ধ করা যাবে না। এক পাটওয়ারীর মুখ বন্ধ করতে চাইলে ঘরে ঘরে পাটওয়ারী তৈরি হবে।'
বিএনপিকে আওয়ামীলীগের মতো করে দেখতে চান না উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী দল। গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথে ছিল। কিন্তু বিএনপি যদি রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে আওয়ামীলীগ আর ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে, দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজদের আশ্রয় দেয় তাহলে আমাদের রাজপথে প্রতিরোধ ছাড়া উপায় থাকবে না।'
বরিশালের নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের অনেক প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো কারচুপি মেনে নেয়া হবে না।
ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তরিকুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও বরিশাল বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ এগারো দলীয় জোটের বরিশাল বিভাগীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানো এবং মানহানির অভিযোগ এনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) মামলার আবেদনটি করেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা মামলাটির আবেদন জমা দিয়েছি। সকাল ১১টার দিকে মামলার আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’
বাদীর তার অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যান। নির্বাচনের সময় এই আসামি বিভিন্ন মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পর আরও বেশি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছেন। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাদী দেখেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মানহানিকর হুবহু বক্তব্যে কয়েকটি অনলাইন নিউজ মিডিয়াতে এসেছে।
বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র্যাংকিয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার ‘মির্জা আব্বাস’ —এই বক্তব্যগুলো অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয় কাজ। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামির এসব বক্তব্য ফেসবুকে দেখে বাদী ও মির্জা আব্বাস বিস্মিত হয়েছেন। বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এসব বক্তব্য দেখেছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক বাদী ও মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে, যা সব প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহিঃভূত এবং মানহানিকর বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে এমন বার্তা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির বিজয় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগ উপলক্ষ্যে আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই মহান দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে আপনার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, আপনার এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রমাণ এবং দেশকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাদের ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ।
ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে গভীর প্রোথিত বন্ধুত্ব, যা আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের নিজ নিজ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে পথনির্দেশক নীতি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
গতকালও আমাদের এলাকায় নারীদের উপর আক্রমণ করছে, নারীদের হয়রানি করছে। আমরা আপনাদের স্পষ্ট করে বলছি, নারীদের নিয়ে বাঁদরামি কইরেন না। বাঁদরামি করলে একটা একটা করে গাছে ঝুলিয়ে দিব বলেও ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন। এমনভাবে ঝুলিয়ে দিব, এক গাছে থেকে আরেক গাছেও লাফিয়ে যেতে পারবা না।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) রংপুর-৪ আসনের অধীন এনসিপির নির্বাচনি পদযাত্রার পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনি পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষেরা দীর্ঘ সময় ধরে জুলুমের শিকার হয়েছি। শতশত গুম খুন জুলুমের মধ্যে দিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ পেয়েছি। জুলুম থেকে মুক্ত হলেও দুর্নীতি, ঘুষ, রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হতে পারি নাই। সেই সংস্কার করতে বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোট করেছি। দালাল ও নেতার উপর নির্ভরতা কমিয়ে জনগণের সেবাগুলো জনগণের দোড়গড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। কাউনিয়া হারাগাছায় সকল আয়ব্যায়ের হিসাব বোর্ডের মাধ্যমে প্রদর্শন করব। গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদে প্রসব করার জন্য ভ্রাম্যমান মেডিকেল সেন্টার করব ইনশাআল্লাহ। তারা বলছে হেলথ কার্ড করবে। কিন্তু আমরা আমাদের মায়েদের দোরগোড়ায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল সেন্টার করে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, আমাদের অভাব তিস্তার গভীরতার অভাব, পানির অভাব। এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হলে এনসিপির শাপলা কলি মার্কা জিতলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আমরা উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। যদি এগারো দলীয় জোট নির্বাচিত হয় তাহলে আমরা উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করব ইনশাআল্লাহ। কেউ কেউ আমাদের বলে চেংড়া ছেলে কি করতে পারবে। কিন্তু আমাদের রংপুরের ছেলে আবু সাঈদ চেংড়ামো করে দুই হাত পেতে বুক পেতে না দিত! তাহলে আমরা আজও ফ্যাসিবাদ মুক্ত হতে পারতাম না। আমরা কথা দিচ্ছি, চেংড়ামো করতে করতেই রংপুরসহ উত্তরবঙ্গের উন্নতি করব। চেংড়ামো করতে করতেই বাংলাদেশের সকল অনিয়ম দূর করব ইনশাআল্লাহ। গণভোটের জন্য আমাদের আর না এর কোন অপশন নেই। আমাদের অবশ্যই হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হারাগাছে নাকি শিল্পপতিরা বসবাস করে! বারোশত মানুষের জন্য একটা মাত্র শৌচাগার রয়েছে। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে বড়লোকের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলব ইনশাআল্লাহ। আমরা দেখতে পাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী সময়ের মতো মিডিয়া একটা পক্ষে ঝুঁকে পড়েছে। মিডিয়া মালিকদের বলছি, এখনি কোন একপক্ষে ঝুঁকে পইড়েন না। খেলা যে কোন লেভেলে চলছে। জনগণ কখন কাকে নিয়ে আসবে টেরও পাবেন না।
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমরা এগারো দলীয় জোট আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে, শাপলা গণহত্যা, জুলাই গণহত্যা এবং হাদী ভাইয়ের হত্যাসহ সকল হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে ৫৪ বছরের ইতিহাস লুটপাটের ইতিহাস। আমরা এগারো দলীয় জোট সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আমরা ১১ দলীয় জোট আপনাদের কর্মকর্তা নয় বরং আমাদের নিয়োগ কর্তা হিসেবে গ্রহণ করব। আপনারা আঞ্চলিক বৈষম্যের স্বীকার। আমরা নির্বাচিত হলে আর কোন আঞ্চলিক বৈষম্য হতে দিব না ইনশাআল্লাহ। আকতার হোসেনের অনুরোধে দশ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আকতার ভাইয়ের অনুরোধে তিস্তার পাড় বাঁধাইয়ের জন্য দুইশত পঞ্চাশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। আমরা ফ্যাসিবাদের সময় থেকে দেখেছি আকতার হোসেনের রাজনৈতিক যাত্রা প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে। আমরা দেখি কোন কোন দল ফ্যাসিবাদী শক্তির সাথে বন্ধুত্ব করছে। যারা ফেলানীকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল, যাদের কারণে আবরার ফাহাদ ও শরীফ উসমান হাদী শহীদ হয়েছিল, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করছে। আমরা আর কোন আধিপত্যবাদের সহযোগীদের নির্বাচিত করব না ইনশাআল্লাহ। আমটরা সাধারণ মানুষ, মা-বোনদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এগারো দলীয় জোট আপনাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। আর কোন দিন বর্ষার সময় পানি দিয়ে বন্যা তৈরি করা, গরমের সময় পানিবিহীন রেখে পানি সংকট থাকবে না। আপনারা আমাদের নির্বাচিত করুন।
আপনাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটের বিষয়ে বলতে চাই। আমরা যদি ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলতে দেখতে না চাই, হাসিনার মতো আর কাউকে ফ্যাসিস্ট হিসেবে না দেখতে চাই তাহলে হ্যাঁ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কাউনিয়াবাসী আমরা জানি আপনাদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুশাসনের কোন ভরসা নেই। কিন্তু আকতার হোসেন নির্বাচিত হলে আপনাদের অধিকার আদায় করা হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা চাঁদাবাজদের অর্থ নিয়ে নির্বাচন করতে আসি নাই, আমরা চাঁদাবাজদের জীবনকে জাহান্নাম করতে এসেছি। মাদক দিয়ে যাদের জীবিকা চলে তাদের কাছে থেকে দেশবাসী ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না। আর যারা শাড়ি আর লুঙ্গি নিয়ে আসবে তাদের আগামী ১২ তারিখ প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমরা লুঙ্গি, শাড়ি আর স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। কিন্তু আপনারা এই ১২ দিন আমাদের জন্য কষ্ট করলে আগামী পাঁচ বছর আপনাদের খাদেম হয়ে থাকব ইনশাআল্লাহ।
আপনারা যদি একজনকে আজীবন ক্ষমতায় দেখতে না চান, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ আর দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। বিএনপি প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে কিন্তু নেতাকর্মীরা গোপনে না ভোটের পক্ষে প্রচারণা করছে। এই ওপেন গোপন অবস্থান বাদ দিতে হবে । বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ভারতের বিজেপি র বাংলাদেশের শাখা জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আপনারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ভারতীয় দালাল জাতীয় পার্টির কফিনে শেষ পেরেক মেরে জানাজা পড়িয়ে ফেলবেন।
রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা শক্তভাবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ। জামায়াত, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এনসিপিসহ এগারো দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী আকতার হোসেনকে বিজয়ী করতে হবে। জুলুম-নির্যাতন, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শাপলা কলিতে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে।
জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানের সঞ্চালনায় নির্বাচনি পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত, উত্তরান্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা ও সাকিব মাহদী প্রমুখ।
সংস্কারের প্রশ্নে এতোদিন কিছু না বললেও দুই মাস পর এস একটি দলের প্রধান হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বলছেন। নেতা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বললেও কর্মীরা না ভোট চাইছেন। এখন কর্মীরা যদি না ভোট চায় তাহলে তাদেরকে বলবেন গুপ্ত গুপ্ত। এইভাবে না ভোট চাওয়াও গুপ্ত কাজ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সাইফুল্লাহ হায়দারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই এলাকার মানুষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছিলাম। বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়নে বরাদ্দ দিয়েছি। আপনারা যদি তাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আপনাদের জন্য সে আরও বেশি করে কাজ করতে পারবে। আমরা দুই হাজার নয় সালের বিডিআর বিদ্রোহ থেকে শাপলা চত্বর হয়ে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের হত্যার বিচার করব ইনশাআল্লাহ। আমরা সরকার গঠন করলে হিসাব দাও নামে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের আয় ব্যায়ের হিসাব সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ। আমি উপদেষ্টা থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সরকারি একটা বাড়ি, একটা খাট ও মেট্রিক্স ফেরত দিয়েছি।
ভারতের বড় ভাই সুলভ আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা তিন দিক দিয়ে একটা দেশ দ্বারা ঘেরাওয়ের মধ্যে আছি। তাদের কাছে প্রত্যাশা ছিল ভালো প্রতিবেশি হওয়ার কিন্তু তারা আমাদের ছোট প্রতিবেশি হিসেবে ট্রিট করতে চায়। ১১ দলীয় ঐক্য জোট সরকার গঠন করলে, আমরা যুবকদের সামরিক ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা করব। সামরিক বাহিনীর অধীনে সামরিক ট্রেনিং সদস্য দ্বিগুণ করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে বাংলাদেশের সংস্কারের জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু শহীদ জিয়া জীবনে একটি ভুল করেছিলেন, বাকশাল গঠনের পরও শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসে। হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ফল হিসেবে বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়িছাড়াসহ বিভিন্ন নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে। দেশের মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একটি দল আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। আপনারা যদি নির্যাতিত হতে চান! দেশ ছেড়ে যেতে চান। তাহলে আমরা আর আপনাদের পাশে থাকব না।
তারেক রহমানের কৃষক ঋণ মওকুফের বিষয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, একটি দল কৃষকদের ঋণ মওকুফ করার কথা বলছে। ২০০১ সালেও তারা কৃষকদের ঋণ মওকুফের কথা বলেছিল কিন্তু করে নাই। আবারও একই কথা বলছে কিন্তু ২৫ বছরেও মাফ করে নাই। এবার আবার বললে জিজ্ঞেস করবেন এইবার মাফ করবে কবে?
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের ১১ দলীয় ঐক্য জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার বলেন, আমি আমার নেতাকর্মী, আত্মীয়স্বজন এক টাকার চাঁদাবাজি করলে আমি আপনাদের কাছে একটা ভোটও চাইব না। অথচ গত ১৭ মাসে একটা দলের নেতাকর্মীরা ঘাটাইলের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করেছে। আমাদের আগামীর আন্দোলন হবে চাঁদাবাজ, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমরা এই ঘাঁটাইলে উইড়া আইসা জুইড়া বসি নাই। পাহাড় কেটে কলকারখানা করা হচ্ছে। আমরা কলকারখানা করার বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু আমাদের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে এমন কলকারখানা স্থাপন করা হবে। আমরা সারাজীবন দুইটা পরিবারের কাছে বর্গা দিছি। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেন কৃষকের সন্তানও যেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে। পাহাড়ে সাদিকের নামে ২৫ শয্যা হাসপাতাল তৈরি করব ইনশাআল্লাহ। প্রতিটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দুর্নীতির বক্স স্থাপন করব। আপনারা অন্যায়ের স্বীকার হলে আপনারা সেই বিষয়ে তথ্য দিবেন। আমরা ব্যবস্থা নিব। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে বেতনের বাহিরে এক টাকাও নেব না ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, যারা ভাবছেন ভোটকেন্দ্র দখল করে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বন্ধ করে দিবে। তাদের স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, এগারো দলীয় ঐক্য জোট সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। একটি দলের চেয়ারম্যান বার বার তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে চলে যাবেন। আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনাকেও দেখেছি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্র দখল করতে। আমরা তখন স্লোগান দিতাম তাহাজ্জুদের আউলিয়া দেশ করেছে দেউলিয়া। আপনাদের বিরুদ্ধেও একই স্লোগান দিতে বাধ্য করবেন না।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত বলেন, ২০২৪ সালে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হাজার হাজার মানুষ মাঠে নেমেছিলাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেখা গেল একটি দল চাঁদাবাজি, দখলবাজি শুরু করে দিয়েছে। আমরা চব্বিশের ছাত্র-জনতার সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে এগারো দলী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোট গড়ে তুলেছি। ৯৯৯ একটি নাম্বারের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ থেকে চাঁদাবাজদের বিপক্ষে সেবা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যসেবা শুধুমাত্র ধনীদের জন্য নয় সাধারণ মানুষের জন্যও নিশ্চিত করব।
পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতা মুফতি মাশরুর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ হোসনে মোবারক বাবুল প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, নাগরিক অধিকার পার্টি এবং বিএনডিপি-সহ সাতটি সমমনা রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক মোর্চা 'জাতীয় মুসলিম জোট'। জোটভুক্ত অন্য দলগুলো হলো— গণমুক্তি জোট, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এবং মুসলিম সমাজ।
সম্প্রতি জোটের পক্ষ থেকে ১০ দফা সম্বলিত একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় গুণগত পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হয়েছে।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য
জোটের ঘোষণাপত্রে ১৯৪৭-এর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। জোট মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং এটি ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিকতা ও গুণগত পরিবর্তনের একটি গণদাবি।
ওসমান হাদী হত্যার বিচার ও জ্ঞান-রাষ্ট্র দর্শন
বিপ্লবী পুরুষ শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জোটের পক্ষ থেকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল কুশীলবদের দ্রুত ও ন্যায্য বিচার দাবি করা হয়েছে। জোটের ষষ্ঠ দফায় বলা হয়েছে, শহীদ ওসমান হাদীর ‘জ্ঞান-রাষ্ট্র দর্শন’ হবে রাষ্ট্র সংস্কারের অন্যতম ভিত্তি।
মূলনীতি ও অসাম্প্রদায়িক অবস্থান
জাতীয় মুসলিম জোট স্পষ্ট করেছে যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে না। বরং জ্ঞান, যুক্তি, ন্যায় ও নাগরিক মর্যাদাকে মূলনীতি মেনে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে কাজ করবে। জোটের ভাষায়, "আমরা বাঙালি, মুসলিম ও অন্যান্য জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ঐতিহাসিক সমন্বয় এবং সামাজিক ভারসাম্য রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ।"
সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক সংস্কার
জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জোট কোনো আপস করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি তুলে ধরে তারা জানায়, মনোনয়নপত্রের জামানত এবং তা জমা দেওয়ার সময়সীমা যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি করা প্রয়োজন যেন গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ আরও সহজ হয়।
ঐতিহাসিক অনুপ্রেরণা
জোটের ঘোষণাপত্রে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর শিক্ষা ও রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়াসকে ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসাথে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ সমাজ এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ এর ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসকে জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছে জোটটি।
সবশেষে: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জ্ঞান ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে এই নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো উপদেষ্টা পদে থেকে বা সরকারের অন্য যেকোনো পদে থেকে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না৷ এমনকি ভোটের প্রচারেও অংশ নিতে পারবেন না।
এই নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ ভোটে অংশ নিতে পারবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। তফসিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তফসিল ঘোষণা জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে ইসি। আসন বিন্যাস, আইন অনুযাযী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদেন প্রজ্ঞাপন, বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি হবে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইন শৃঙ্খলার সেল গঠন এগুলোর ফরমেটগুলো রেডি রযেছে। তফসিল ঘোষণার পরপর সেগুলো ধারাবাহিকভাবে আমরা জারি করবো।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী সরকারের পদে থেকে নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না। প্রচার করা না গেলে তো প্রার্থীও হতে পারবেন না। কাজেই সরকারের কোনো পদে থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রাহমানেল মাছউদ বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পূর্বে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ইসির দায়িত্ব নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির দায়িত্ব আসবে তফসিল ঘোষণার পর। চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণায় ভাষণের সবকিছু চূড়ান্ত। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাত শেষে সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণা হবে। এতে রাজনৈতিক দলসহ সকলের সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামীকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে নির্বাচন কমিশন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘অবিস্মরণীয় একটি দিন ৬ ডিসেম্বর।’
তিনি বলেছেন, ‘১৯৯০ সালের এ দিনে রক্তাক্ত পিচ্ছিল পথে অবসান হয়েছিল স্বৈরশাসনের। এরশাদ ‘৮২’র ২৪ মার্চ পেশাগত বিশ্বস্ততা ও শপথ ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে গণতন্ত্র হত্যা করে জারি করেছিল অসাংবিধানিক শাসন।’
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে তারেক রহমান তার ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে সাংবিধানিক রাজনীতি ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা, যার সূচনা করেছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একনায়ক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তোলেন এক দুর্বার গণআন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৯০ এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিলো গণতন্ত্র।’
তিনি বলেন, ‘সেই অর্জিত গণতন্ত্রের চেতনায় আবারও ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট এক হিংস্র ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাস্ত করে। ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসানের পর আবারও গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ পুনরুজ্জীবন এবং রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের নিরলস সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’
শেখ হাসিনার দুঃশাসনে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুমসহ নানামাত্রিক নিপীড়ন নামিয়ে আনা হয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘অবিরাম নির্যাতনের কষাঘাতে অসুস্থ দেশনেত্রীর জীবন এখন চরম সংকটে। আল্লাহ’র কাছে তাঁর আশু সুস্থতা কামনা করছি। এছাড়াও দেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে সীমাহীন অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছিল। সারাদেশকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এ দিনে আমি ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত রক্তস্নাত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ স্মরণীয় দিনে আমি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রের হেফাজতকারী দেশবাসীকে।’
সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র বিরোধী পরাজিত শক্তির যাতে আর পুণরুত্থান না ঘটে সেজন্য গণতান্ত্রিক শক্তিকে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানাই।’
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই আজ ৩ ডিসেম্বর, বুধবার বিকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরীক সুস্থ্যতার খবরাখবর জানতে এবং বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পরিবারের প্রতি সহমর্মীতা জানাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। সেখানে উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেন, ডাক্তারদের সাথে কথা বলে চিকিৎসার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও নেক হায়াত কামনা করে মহান আল্লাহ দরবারে মোনাজাত করেন।
শায়েখ চরমোনাই বলেন, তিনি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জাতির এই ক্রান্তিকালে তার উপস্থিতি প্রয়োজন। বিএনপির নেতাকর্মী ও তার পরিবারের প্রতি আমাদের সহমর্মীতা জানাচ্ছি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এবং যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।
জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) নতুন নিবন্ধন পাওয়া তিনটি রাজনৈতিক দলকে প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অপর দুই রাজনৈতিক দল হচ্ছে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন।
দলগুলোর মধ্যে এনসিপিকে 'শাপলা কলি', বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলকে (মার্কসবাদী) 'কাঁচি' ও আম জনগণ পার্টিকে 'হ্যান্ডশেক' প্রতীক দেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিগুলোতে বলা হয়, রিপ্রেসেন্টেশন অব পিপল অর্ডার,১৯৭২ (পিও নং. ১৫৫) এর এর পরিচ্ছেদ ৬এ এর আওতায় রাজনৈতিক দল হিসাবে নিবন্ধনের জন্য দলগুলোর প্রতিনিধিরা কমিশনের কাছে দরখাস্ত দিয়েছেলেন। দলগুলোর মধ্যে এনসিপির প্রার্থিত প্রতীক 'শাপলা কলি', বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) 'কাঁচি' ও আম জনগণ পার্টির প্রার্থিত প্রতীক 'হ্যান্ডশেক'।
এই দলগুলোর নিবন্ধনের বিষয়ে কারও কোনও আপত্তি থাকিলে প্রয়োজনীয় দলিলাসহ কারণ উল্লেখ করে আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে লিখিতভাবে জানানো অনুরোধ করা হলো।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসন থেকে লড়বেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরই মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটি এবং সাংগঠনিক টিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এদিন প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মির্জা আব্বাস, হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতিসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তুরস্কের ফরেন অ্যাফেয়ার্সের ডেপুটি মিনিস্টার এ. বেরিস একিনজির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)'র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, মনিরা শারমিন, নীলিমা দোলা ও ড. আতিক মুজাহিদ। অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের প্রস্তুতি, সংস্কার সম্পর্কিত বিশেষত সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন গঠন, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ, রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্ত্রী কে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং দুই মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বিরাজমান পরিস্থিতিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা, পরমত সহিষ্ণুতা, পারষ্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের অপরিহার্য্যতা তুলে ধরে দেশব্যাপী ইউনিয়ন জনসভা ও র্যালী করছে জাকের পার্টি।
দু ' সপ্তাহ ধরে চলমান এ কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর সম্পন্ন হবে।
ইউনিয়ন জনসভাগুলোতে জাকের পার্টি, সহযোগী সংগঠন সমূহ, মহিলা ফ্রন্ট ও ছাত্রী ফ্রন্টের নেতা নেত্রীবৃন্দ সুনির্দিষ্টভাবে ইসলামের উদারনৈতিক মানবিক আদর্শে নিহিত সাম্য, সহনশীলতা, প্রগতিশীলতা, নাগরিক অধিকার,স্বচ্ছতা,দায়বদ্ধতা ও দেশ প্রেমের তাৎপর্য্য তুলে ধরছেন।
বক্তারা বলেন, ওলী আউলিয়াগনের মাধ্যমেই এই মাটিতে ইসলাম এসেছে। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে শান্তি, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি। জাকের পার্টি বিশ্বাস করে সেই অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলামে – যেখানে সব জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি রয়েছে সমান সম্মান।
তারা বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতির চির অবসান ঘটাতে হবে। আজ আমাদের প্রয়োজন শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে যে ভ্রাতৃত্ব, নিরাপত্তা ও সুখ হারিয়ে গেছে – তা ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহবানে জাকের পার্টির এ ইউনিয়নভিত্তিক প্রতিটি জনসভায় জনগনের জন্য আল্লাহর রহমত, সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত করা হয়।
জনসভা শেষে আকর্ষণীয় নানা শ্লোগান ও প্রাণ প্রাচুর্য্যে ভরপুর র্যালী বের করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মুসলিম লীগ তাদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন এনেছে। দলের নতুন তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন রুবেল বিন গফ্ফার।
সম্প্রতি, অধ্যাপক শামীম আল যুবায়ের ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ায় পদটি শূন্য হয়েছিল। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের গঠনতন্ত্রের পঞ্চম অধ্যায়ের ২১ ধারা মোতাবেক রুবেল বিন গফ্ফারকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দলের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের এবং সভাপতি মহসিন রাশেদ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত, ২৬ আগস্ট, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী কাউন্সিল সম্পন্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সারাদেশে গণমিছিল করবে জামায়াত। এই কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়ে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার শনিবার (২ আগস্ট) একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের ছাত্রজনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পূর্ব ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সকল মহানগরী ও জেলা শাখার প্রতি আগামী মঙ্গলবার শান্তিপূর্ণ গণমিছিল সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গণমিছিল সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতিসহকারে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের জন্য জামায়াতে ইসলামীর সকল জেলা ও মহানগরী সংগঠনের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে।
এই মিছিলে অংশগ্রহণ করার জন্য দেশের সকল নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে গণমিছিল পালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাদুল হাসান রাফিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (১ আগস্ট) ভোররাতে ফেনীর মহিপাল থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও নাশকতা চেষ্টার মোট চারটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা রাফি। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। শুক্রবার ভোররাতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের গোয়েন্দা তথ্য ছিল। পরে স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় মহিপাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অতর্কিত মিছিল বের করে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনা আসলে বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্যে পরিণত করবে : দুলু
নৌকায় ডিজে পার্টির প্রস্তুতি, সেনা অভিযানে আটক ৫৭ কিশোর
ডিবি পুলিশের ওসি মো. আব্দুল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার দুপুরে ছাত্রলীগ নেতা রাফিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
আগামী ৩ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগে ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি। চট্টগ্রাম থেকে ছাত্রদের ঢাকায় আনতে ২০ কোচের একটি বিশেষ ট্রেন ভাড়া করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে একটি জরুরি তারবার্তায় বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার ঢাকা ও চট্টগ্রামকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ের পাঠানো তারবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগরের চাহিদার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে পিএইচটি টাইপ কোচ দিয়ে একজোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনে মোট কোচ থাকবে ২০টি। এসব কোচে মোট আসন থাকবে ১ হাজার ১২৬টি।
এতে আরও বলা হয়, ট্রেনটি ৩ আগস্ট সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে দুপুর একটা ১৫ মিনিটে। সমাবেশ শেষে আবার ওইদিন ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টায় ছেড়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছাবে ৪ আগস্ট রাত ১টায়।
তারবার্তায় আর বলা হয়, বিশেষ ট্রেন পরিচালনার আগে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিধি মোতাবেক ভাড়া ও আনুষঙ্গিক সকল চার্জ আদায়ের ব্যবস্থা করবেন। বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সময়সূচী অনুযায়ী রেক গঠন ও ট্রেন পরিচালনার ব্যবস্থা করবেন।
এ ছাড়া ট্রেনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও যাবতীয় পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে, ইঞ্জিন ও ক্রু সরবরাহের ব্যবস্থা করতে, ট্রেনের পাওয়ার কার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবস্থা করতে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আরএনবির ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
গোপালগঞ্জে জুলাই যোদ্ধাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিতে হামলার প্রতিবাদ ও স্বৈরাচারের দালালদের গ্রেফতারের দাবীতে আজ (১৬জুলাই) সন্ধ্যা ০৭.৩০মিনিটে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ।
বিক্ষোভ মিছ্ল পরবর্তী সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, আজকে গোপালগঞ্জে জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্রদোর সংগঠন এনসিপির শান্তিপূর্ণ প্রোগ্রামে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা লজ্জাজনক। এই জঘন্য ঘটনার দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে। প্রশাসন রাষ্ট্রীয় সকল সুবিধা ভোগ করে কিন্তু মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারেনা, এটা তাদের সদিচ্ছার ঘাটতি।
দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র জুলাইয়ের সকল শক্তির ঐক্যের মাধ্যমে পতিত ফ্যাসিবাদের আস্ফালন রুখে দেয়া হবে।
বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, অভ্যুত্থানের বর্ষপুর্তির এই সময়েও স্বৈরাচারের দোসররা যে দুঃসাহস দেখিয়েছে তা সরকারের সামগ্রিক ব্যর্থতার বড় একটি দৃষ্টান্ত। পতিত ফ্যাসিবাদের বিচার এবং সংস্কারের ধীরগতির কারণেই এরা আজকে এই সাহস করেছে। অবিলম্বে সারা দেশে স্বৈরতন্ত্রের সাথে জড়িত সকল অপরাধীদের অপরাধের খতিয়ান প্রকাশ করতে হবে। এবং সকলকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। পতিত ফ্যাসিবাদের এই ধরণের দুঃসাহস জাতী আর দেখতে চায় না।
সরকার যদি এতে ব্যর্থ হয় তাহলে এই জাতি আবারো ফুঁসে উঠবে।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী রহমাতুল্লাহ বিন হাবীব, অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসান, কেন্দ্রীয় দাওয়াহ ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল আ হ ম আলাউদ্দিন, দফতর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দীক, অর্থ সম্পাদক কে এম শামীম আহমদ, ইঞ্জিনিয়ার এহতেশামুল হক পাঠান, মুফতী মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা ইউনুছ তালুকদার প্রমুখ ।